বইয়ে চলে যাই
✳ আমার শৈশব
☰ সূচিপত্র ৩ / ৬
  1. ১আর পাঁচ মিনিট খেলি, তারপর যাব১ পৃষ্ঠা
  2. ২গল্পটা শেষ না হলে ঘুম আসবে কী করে?১ পৃষ্ঠা
  3. ৩বিদ্যুৎ চলে গেলেই উঠোনটা ভরে উঠত১ পৃষ্ঠা
  4. ৪একটা টিফিন বক্স, অনেকগুলো হাত১ পৃষ্ঠা
  5. ৫ঈদের আগের রাতে ঘুমটা কোথায় হারাত?১ পৃষ্ঠা
  6. ৬খাতার পাতা ছিঁড়ে যত দূরের যাত্রা১ পৃষ্ঠা
অক্ষর
৩৩% পড়া
অধ্যায় ৩ · পৃষ্ঠা ১ / ১
অধ্যায় ৩ · পৃষ্ঠা ১

বিদ্যুৎ চলে গেলেই উঠোনটা ভরে উঠত

পাখাটা থেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চারদিক থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস উঠত। বইয়ের ওপর আলো পড়ছে না, গরমে বসাও যাচ্ছে না। একটু পরেই কেউ হারিকেন আনত, কেউ মোমবাতি। গরমের রাতে অনেক বাড়িতেই সবাই উঠোনে, বারান্দায় বা ছাদে এসে বসত।

বড়দের গল্পের পাশে ছোটদের আরেক জগৎ। কেউ হাতের ছায়ায় দেয়ালে পাখি বানাত, কেউ আকাশের তারা গুনতে গুনতে হিসাব হারিয়ে ফেলত। চাঁদের আলো থাকলে চোর-পুলিশের দলও তৈরি হয়ে যেত। অন্ধকারে একটু দূরের মানুষকেও রহস্যময় লাগত; পরিচিত গাছটার ছায়া হতো একেবারে অন্য রকম।

বিদ্যুৎ ফিরে এলে কারও মুখে স্বস্তি, কারও মুখে খেলা থামার আক্ষেপ। আলো নিভে থাকা যে কষ্টের ছিল, তা ভুলে যাওয়ার নয়। তবু সেই ফাঁকে পাশাপাশি বসা, হাতপাখার বাতাস ভাগ করে নেওয়া আর বিনা তাড়ায় গল্প করার সময়টুকু মনে থেকে যায়।

— অধ্যায়ের সমাপ্তি —

অধ্যায়, পৃষ্ঠা ও পড়ার জায়গা এই ব্রাউজারে মনে থাকবে। এটি আপনার নিজের পড়ার অগ্রগতি।

১ বার পড়া শুরু হয়েছে

পাতা অন্তত ১০ সেকেন্ড খোলা থাকলে গণনা হয়; একই ব্রাউজারে ৩০ মিনিটে একবার।