একটা টিফিন বক্স, অনেকগুলো হাত
টিফিনের ঘণ্টা পড়লে ক্লাসের গম্ভীর চেহারা মুহূর্তে বদলে যেত। বেঞ্চের ওপর খুলে বসত ছোট ছোট বাক্স। কারও পরোটা, কারও রুটি, কারও মুড়ি। নিজের খাবারের চেয়ে পাশের বন্ধুর বাক্সে কী আছে, সেই কৌতূহলটাই যেন বেশি ছিল।
ভাগাভাগিরও অলিখিত নিয়ম থাকত। এক টুকরো পরোটার বদলে অর্ধেক ডিম, এক মুঠো মুড়ির বদলে আচারের একটু ঝোল। কোনো দিন টিফিন না আনলে পাশ থেকে একটা হাত এগিয়ে আসত। খুব বড় কথা বলে নয়—“এই নে, খা” বলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।
তারপর মাঠে দৌড়, ঘণ্টা বাজলে তাড়াহুড়া করে হাত ধোয়া, আর ক্লাসে ফিরে হাসি সামলানো। তখন খাবারের দাম কিংবা পুষ্টির হিসাব জানা ছিল না। জানা ছিল, বন্ধুর পাশে বসে খেলে সাধারণ একটা রুটিও অন্য রকম ভালো লাগে।
— অধ্যায়ের সমাপ্তি —